1. nagorikkhobor@gmail.com : admi2017 :
  2. shobozcomilla2011@gmail.com : Nagorik Khobor Khobor : Nagorik Khobor Khobor
বৃহস্পতিবার, ০৭ জুলাই ২০২২, ০৯:১৬ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশের জীবন্ত কিংবদন্তী – আওয়ামীলীগের তোফায়েল আহাম্মেদ

‌ডেস্ক নিউজ:
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২০
  • ৩৭৮ বার পঠিত

ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৯৬৯ এর গ্ণ অভ্যুত্থানের মধ্যদিয়ে মুক্ত , জাতির মহান নেতা শেখ মুজিবুর রহমান কে , তাঁর সংবর্ধনা সভায় বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করা হয়।সেই ঐতিহাসীক ঘোষণাটি এসেছিল ছাত্রনেতা তোফায়েল আহাম্মেদের কণ্ঠ থেকে ।

বঙ্গবন্ধুর বিশ্বস্ত মানুষদের অন্যতম ছিলেন তোফায়েল আহাম্মেদ । সমগ্র বাংলাদেশের ছাত্র সমাজের অবিসংবাদিত নেতা ছিলেন তিনি ।আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় বঙ্গবন্ধুকে ফাঁসীর মঞ্চ থেকে গণ অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মুক্তকরে আনার পেছনে অসামান্য অবদান ছিল এই কিংবদন্তীর ।

একাত্তরে স্বাধীনতা সংগ্রামে পটভূমি সৃষ্টি এবং মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ছিল এ নেতার । বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক সচিব নিযুক্ত হয়েছিলেন তিনি ।বঙ্গবন্ধু স্বপরিবারে নিহত হওয়ার পর , তাঁর কন্যা শেখ হাসিনার পাশে থেকে , ভূমিকা রেখে গেছেন তিনি , কয়েক বার মন্ত্রী হিসেবেও দায়ীত্ব পালন করেছেন ।

তবে মন্ত্রীত্বের চাইতে , তোফায়েল আহাম্মেদের ব্যক্তিত্বকেই অনেক বড় মনে হয়েছে । তোফায়েল আহাম্মেদ নিয়তির সন্তান , এক খন্ড জীবন্ত ইতিহাস , বঙ্গবন্ধু রাজনৈতিক জীবনের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ সময়ের ছায়াসঙ্গী ।

২০০৫ সালে কুমিল্লা টাউন মাঠে এক বিশাল ছাত্র সমাবেশে , আমি বক্তব্য রাখার আহবান জানিয়ে , এই কিংবদন্তীর নাম ঘোষণা করেছিলাম ।

সে সমাবেশে বর্তমান মাননীয় অর্থমন্ত্রী লোটাস কামাল সাহেব এবং ছাত্রলীগের সে সময়ের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাবু ( বর্তমানে নাঃগঞ্জের এমপি ) সহ আরো কয়েকজন বিশেষ অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ।

তিনি বক্তব্য রাখতে উঠেই বলেছিলেন , আমি আজ দ্রব্যমূল্য , সরকারের দুর্নীতি , অনিয়ম , অত্যাচারের কথা বলতে এসেছিলাম , কিন্তু ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আমাকে ৬৯ সালে ফিরিয়ে নিয়ে গেছে –

তারপর ঘন্টা খানেক চমৎকার ভাবে অনেক ইতিহাস বলে গেলেন তিনি , বক্তব্যের মাঝখানে বৃষ্টি এলো , হাজার হাজার মানুষ বৃষ্টিতে ভিজে মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে তাঁর বক্তব্য শুনলেন ।

আমার ছাত্র রাজনীতির সময়ে , বক্তব্য রাখার আহবান জানিয়ে , জননেতা তোফায়েল আহাম্মেদের নাম ঘোষণা করা একটি স্মরণীয় ঘটনা ।

এ সমাবেশের পর তোফায়েল আহাম্মেদের সাথে আমার আর দেখা হয়নি । ৮ বছর পর ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তিনি নেত্রীর সাথে নিউইয়র্ক যান , আমিও নিউ ইয়র্কে গিয়ে ছিলাম সে সময়ে ।

নেত্রী যে হোটেলে ছিলেন , সে হোটেলের লবিতে হঠাৎ তোফায়েল আহাম্মেদকে দেখি । ভাবলাম আমাকে চিনবেন না , তাই কাছে যাইনি , উনি আমাকে হাত ইশারায় ডাকলেন , কাছে যাওয়ার পর বললেন , তুমি কুমিল্লার মিঠু না ?

আমি খুবই অবাক হলাম , বললাম জি । তিনি আমাকে বললেন , তোমার বিদ্রোহী হয়ে নির্বাচন করা ঠিক হয়নি । আমি বললাম লিডার আমিতো বিদ্রোহী প্রার্থী হইনি , স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলাম !

যে নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন নেই , সে নির্বাচনে অংশ নেয়া কোন প্রার্থীকে বিদ্রোহী বলা , তার প্রতি অবিচার । তিনি হেসে বললেন , কথায় যুক্তি আছে !

( সে সময়ে স্থানীয় সরকারের কোন শাখার নির্বাচনেই দলীয় মনোনয়ন বা দলীয় মার্কা ছিলোনা , তবে দল কোন প্রার্থীর প্রতি সমর্থন ঘোষণা করতো , কোন কোন জায়গায় , বিশেষ করে ইউনিয়ন পরিষদ এবং ছোটখাটো পৌর সভায় অনেক সময় কাউকে সমর্থনও দিতোনা )

আমি অনেকের কাছে শুনেছি , তোফায়েল আহাম্মেদের নাকি কয়েক হাজার মোবাইল ফোন নাম্বার মুখস্থ আছে !! পরিচিত সকলের ফোন নাম্বারই নাকি উনি মুখস্থ বলতে পারেন !! আওয়ামীলীগের তোফায়েল আহাম্মেদের জন্য অনেক অনেক শুভ কামনা

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 nagorikkhobor.Com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com