1. nagorikkhobor@gmail.com : admi2017 :
  2. shobozcomilla2011@gmail.com : Nagorik Khobor Khobor : Nagorik Khobor Khobor
মঙ্গলবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
H H H H H H H H H H

মধু শরী‌রে জন‌্য মুল‌্যবান ঔষুধ

নাগ‌রিক স্বাস্থ‌্য কথা:
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২০
  • ৩৫৯ বার পঠিত

মধু হচ্ছে একটি মিষ্টি জাতীয় পদার্থ যা সাধারণত মৌমাছিরা ফুলের পরাগ রেনু বা জীবন্ত গাছপালার নির্গত রস থেকে সংগ্রহ করে মধুতে রূপান্তর করে এবং আরও সুনির্দিষ্ট কিছু উপাদান যোগ করে মৌচাকে সংরক্ষণ করে। এটি উচ্চ ঔষধিগুণ সম্পন্ন একটি ভেষজ তরল।

মধুর যত গুণাগুন:

কাশি: সমপরিমাণ আদারস এবং মধুর মিশ্রণ কাশির সাহায্যে শ্লেষ্মা বের করে ফেলার একটি সহায়ক ওষুধ হিসেবে কাজ করে। এটি ঠাণ্ডা, কাশি, কণ্ঠনালির ক্ষত, নাক দিয়ে পানি পড়া ইত্যাদি থেকে দ্রুত পরিত্রাণ দেয়।

হাঁপানি: আধা গ্রাম গুঁড়ো করা গোলমরিচের সঙ্গে সমপরিমাণ মধু এবং আদা মেশান। দিনে অন্তত তিন বার এই মিশ্রণ খান। এটা হাঁপানি রোধে সহায়তা করে।

রক্তচাপ: দু চামচ মধুর সঙ্গে এক চামচ রসুনের রস মেশান সকাল-সন্ধ্যা দুবার এই মিশ্রণ খান। প্রতিনিয়ত এটার ব্যবহার উচ্চ রক্তচাপ কমায়।

হৃৎপিন্ড সুস্থ রাখতে: এক চামচ মৌরি গুঁড়োর সাথে এক বা দুই চামচ মধুর মিশ্রণ হৃদরোগের টনিক হিসেবে কাজ করে। এটা হৃদপেশিকে সবল করে এবং এর কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

রক্ত পরিষ্কার করে চর্বি কমায়: এক গ্লাস গরম পানির সাথে এক বা দুই চামচ মধু ও এক চামচ লেবুর রস মেশান। পেট খালি করার আগে প্রতিদিন এই মিশ্রণ খান। এটা রক্ত পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি পেট পরিষ্কার ও মেদ কমাতেও সাহায্য করে।

দৃষ্টিশক্তি: গাজরের রসের সাথে মধু মিশিয়ে খেলে দৃষ্টিশক্তি বাড়ে। এজন্য প্রতিদিন সকালে খাবার এক ঘণ্টা আগে মধু খাওয়া উচিত।

মাড়ির ইনফেকশনে: মাড়ির ব্যথায় মুখ কুলকুচি করার জন্য মধু মিশ্রিত পানি বা ‘মাউথওয়াশ’ ব্যবহার করলে মাড়ির ব্যথা কমে।

সৌন্দর্যচর্চায় মধু: শুধু শরীর নয়, সৌন্দর্যচর্চাতেও রয়েছে মধুর বড় ভূমিকা। রাসায়নিক পদার্থের প্রসাধন সামগ্রীর পার্শপ্রতিক্রিয়া থেকে ত্বককে রক্ষা করতে নানা উপায়ে মধু ব্যবহার করা হয়। মধু ত্বককে উজ্জ্বল, কোমল ও মসৃণ করে। রূপচর্চায় মধু সাধারণত ‘ফেসমাস্ক’ হিসেবে ব্যবহার করা হয়৷

ত্বকের সমস্যায় মধু: ত্বকের অ্যালার্জিজনিত সমস্যায় অলিভ অয়েলের সাথে মধু মিশিয়ে লাগালে ত্বকের সমস্যা দূর হয়। তবে সেক্ষেত্রে মধু অবশ্যই খাঁটি হতে হবে।

ক্ষত বা পোড়া স্থানে মধু: বেশ কিছু রোগের জীবাণু ধ্বংসে মধুর জুড়ি নেই। তাছাড়া পোড়া বা ক্ষতের জায়গায় খাটি মধু লাগালে অনেক উপকার হয়।

কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তিঃ মধুতে রয়েছে যথেষ্ট পরিমাণে কপার, মানে তামা, আয়রন ও ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 nagorikkhobor.Com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com