1. nagorikkhobor@gmail.com : admi2017 :
  2. shobozcomilla2011@gmail.com : Nagorik Khobor Khobor : Nagorik Khobor Khobor
বুধবার, ০৫ অক্টোবর ২০২২, ১২:১১ পূর্বাহ্ন

করোনা মহামারীর মধ্যেও রিজার্ভের রেকর্ড

নাগরিক অনলাইন ডেস্কঃ
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৪ মে, ২০২১
  • ২৭১ বার পঠিত

ঈদের আগে প্রবাসীদের পাঠানো আয়ে বড় প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এর ওপর ভর করেই বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদেশী মুদ্রার মজুত প্রথমবারের মতো ৪৫ বিলিয়ন বা ৪ হাজার ৫০০ কোটি ডলার অতিক্রম করেছে। সোমবার দিন শেষে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৫১০ কোটি ডলার।

আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, একটি দেশের কাছে অন্তত তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর সমপরিমাণ বিদেশী মুদ্রার মজুত থাকতে হয়। এই রিজার্ভ দিয়ে প্রতি মাসে চার বিলিয়ন ডলার হিসেবে ১১ মাসের বেশি সময়ের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বিশ্বজুড়ে করোনার প্রকোপের মধ্যে দেশের বাইরে অবস্থানরত বাংলাদেশীরা বেশি বেশি টাকা পাঠানো শুরু করেছেন। বিদায়ী এপ্রিলে প্রবাসীরা সব মিলিয়ে ২০৬ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন। বাংলাদেশী টাকায় যার পরিমাণ ১৭ হাজার ৫১০ কোটি টাকা। গত বছরের এপ্রিলে দেশে এসেছিল ১০৯ কোটি ডলার। আর মে মাসের প্রথম দুই দিনে আয় এসেছে ১৫ কোটি ৪০ লাখ ডলার। এর ফলে বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বেড়ে ৪৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্মকর্তারা বলেন, মার্চ-এপ্রিলের এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) ১৭৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার বিল বাকি রয়েছে, যা কাল মঙ্গলবার পরিশোধ করতে হবে। এর ফলে কালই রিজার্ভের পরিমাণ কমে আসবে।

আকুর সদস্যদেশগুলোর মধ্যে আমদানি-রফতানির অর্থ পরিশোধ হয়ে থাকে আকুর মাধ্যমে। ৯টি দেশের মধ্যকার আমদানি-রফতানিতে কোনো দেনা-পাওনা থাকলে তা দুই মাস পর এসব দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক মিটিয়ে থাকে। বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, ইরান, মিয়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপ-এই ৯টি দেশ বর্তমানে আকুর সদস্য। এই রিজার্ভ দিয়ে প্রতি মাসে চার বিলিয়ন ডলার হিসেবে ১১ মাসের বেশি সময়ের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।

২০১৯-২০ অর্থবছরে সরকার ২ শতাংশ প্রণোদনা ঘোষণা করার পর থেকেই বৈধ পথে প্রবাসী আয়ে গতি আসতে থাকে। অবৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানো কমে যায়। করোনার মধ্যে প্রবাসী আয়ে বড় ধরনের ধাক্কা লাগার আশঙ্কা করা হলেও তেমন প্রভাব পড়েনি। এখন সরকারের ২ শতাংশের সাথে অগ্রণী, রূপালী, ইসলামী ব্যাংকসহ আরো বেশ কয়েকটি ব্যাংক বাড়তি ১ শতাংশ প্রণোদনা দিচ্ছে। আবার মোবাইলে আর্থিক সেবাদাতা (এমএফএস) বিকাশের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকার বেশি এলেও সরকারি ২ শতাংশের সাথে অতিরিক্ত ১ শতাংশ প্রণোদনা মিলছে। সব মিলিয়ে বৈধ পথে প্রবাসী আয় আসা বেড়েছে।

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 nagorikkhobor.Com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com