1. nagorikkhobor@gmail.com : admi2017 :
  2. shobozcomilla2011@gmail.com : Nagorik Khobor Khobor : Nagorik Khobor Khobor
মঙ্গলবার, ০৫ জুলাই ২০২২, ০৯:০৮ অপরাহ্ন

মৃত নারী‌দের ধর্ষ‌ণের কথা স্বীকার ক‌রে ডোম সহকা‌রি মুন্না ভগত : জানায় সিআই‌ডি

আবদুর রহমান সাঈফ:
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২১ নভেম্বর, ২০২০
  • ৫০৮ বার পঠিত
সহকা‌রি ডোম মুন্না ভগত‌কে গ্রেফতার ক‌রে সিআই‌ডি

রাজধানীর একটি হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য নেওয়া নারীদের মরদেহের সঙ্গে ‘যৌন লালসা চরিতার্থ’ করার অভিযোগে বৃহস্পতিবার মুন্না ভগত (২০) নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ, সিআইডি।

গ্রেফতার হওয়া মুন্না ওই হাসপাতালের মর্গের ডোমের সহকারী হিসেবে কাজ করতেন বলে সিআইডির বিবৃতিতে জানানো হয়েছে। সিআইডির ধারণা, অন্তত দেড় বছর ধরে মর্গে আসা নারীদের মরদেহের সঙ্গে যৌন মিলন করে আসছিলেন অভিযুক্ত। সিআইডির বিবৃতিতে জানানো হয়, বাংলাদেশে ধর্ষণ, হত্যাসহ যেসব ঘটনায় মরদেহ ময়নাতদন্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়, সেসব আলামতের ডিএনএ পরীক্ষা এবং প্রোফাইল তৈরি করে থাকে সিআইডি। ২০১৯-এর মার্চ থেকে ২০২০-এর আগস্ট পর্যন্ত একটি মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগ থেকে পাওয়া মৃত নারীদের দেহে পুরুষ শুক্রানুর উপস্থিতি পায় সিআইডি। কিন্তু একাধিক নারীর মরদেহে একজন পুরুষের শুক্রানুর উপস্থিতি তাদের চমকে দেয়। তারা সেই পুরুষকে চিহ্নিত করার জন্য মাঠে নামে।

বিবৃতিতে সিআইডি বলেছে, মরদেহে পাওয়া শুক্রানুর ওপর ভিত্তি করে সেই পুরুষের ডিএনএ প্রোফাইল তৈরি করা হয়। পরে ঢাকার মোহাম্মদপুর ও কাফরুল থানার কয়েকটি ঘটনা থেকে পাওয়া ডিএনএ প্রোফাইলের সঙ্গে সন্দেহভাজন ব্যক্তির ডিএনএ প্রোফাইল মিলে যায়। প্রাথমিকভাবে সিআইডির ধারণা ছিল, প্রতিটি ক্ষেত্রে একজন ব্যক্তি ভুক্তভোগীকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছে অথবা হত্যার পর ধর্ষণ করেছে।
তবে পরে আরও বিস্তারিত অনুসন্ধান ও বিশ্লেষণের পর সিআইডি সিদ্ধান্তে পৌঁছায় যে কোনো একজন ব্যক্তি মরদেহের ওপর ‘বিকৃত যৌন লালসা চরিতার্থ’ করছে। পরে সিআইডির গোপন অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে যে প্রত্যেক ভুক্তভোগীর মরদেহের ময়নাতদন্ত একটি নির্দিষ্ট হাসপাতালের মর্গে করা হয়েছে।
হাসপাতালটির মর্গের কার্যপদ্ধতি সম্পর্কে অনুসন্ধান করে সিআইডি জানতে পারে যে, ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে নেওয়া মরদেহ ব্যবচ্ছেদ করার উদ্দেশ্যে পরের দিন মর্গে রেখে দেয়া হতো।মর্গের কার্যপদ্ধতি বিশ্লেষণ করার পর তদন্তকারীদের সন্দেহ হয় যে মর্গের ডোমদের কেউ অপরাধ সংঘটন করে থাকতে পারে। সন্দেহের ভিত্তিতে ওই নির্দিষ্ট হাসপাতালের ডোমদের গতিবিধি পর্যালোচনা করে তদন্তকারীরা। ওই তদন্তের সময় জানা যায় যে হাসপতালটির একজন ডোম পাঁচটি ঘটনার সময় ভুক্তভোগীর মরদেহ পাহারা দেওয়ার জন্য রাতে মর্গে ছিল।
এরপর বিস্তারিত তদন্তের পর তথ্যপ্রমাণ সাপেক্ষে সিআইডি নিশ্চিত হয় যে অভিযুক্ত ডোম এই অপরাধের সঙ্গে জড়িত।অভিযুক্ত যুবক তদন্তের বিষয়টি আঁচ করতে পেরে গাঢাকা দেয়। পরে বৃহস্পতিবার রাতে সিআইডি তাকে গ্রেফতার করে। সিআইডি জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ স্বীকার করেছে। মানুষ পশু হ‌য়ে গে‌ছে কতটা বর্ব‌র নোংরা‌মি কর‌তে পা‌রে।
সূত্র: বিবিসি

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 nagorikkhobor.Com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com