1. nagorikkhobor@gmail.com : admi2017 :
  2. shobozcomilla2011@gmail.com : Nagorik Khobor Khobor : Nagorik Khobor Khobor
সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ০৬:০২ অপরাহ্ন

হাজী সে‌লি‌মের ছে‌লে গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতি‌বেদক:
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২০
  • ৫৭০ বার পঠিত

নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তাকে মারধরের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় পুরান ঢাকার (ঢাকা-৭) সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিমকে তার দেহরক্ষীসহ হেফাজতে নিয়েছে র‌্যাব। সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে হাজী সেলিমের বাড়ির সামনে সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেন র‌্যাবের মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ। এর আগে সোমবার দুপুর ১টার দিকে পুরান ঢাকায় হাজী সেলিমের বাসায় অভিযান শুরু করে র‌্যাব।

উল্লেখ্য, ইরফান সেলিম ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ জানান, ‘অভিযানে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রয়েছেন, র‌্যাবের একটি গোয়েন্দা টিম রয়েছে। এছাড়া র‌্যাব-৩ ও ১০ এর সদস্যরা রয়েছেন।

ঘটনাস্থলে ম্যাজিস্ট্রেট কেন এমন প্রশ্নের বিষয়ে তিনি বলেন, কোথায় অভিযান চালাতে গেলে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে করতে হয়। সেজন্য ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে এসেছেন। অভিযান শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।
এর আগে র‌্যাবের একটি দল হাজী সেলিমের  ছে‌লে‌কে গ্রেফতার করতে তার বাসায় তল্লাশি চালায়।

সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) সাজ্জাদুর রহমান জানিয়েছিলেন, হাজী সেলিমের ছেলে মোহাম্মদ এরফান সেলিমসহ এজাহারভুক্ত আসা‌মি ।

রোববার (২৫ অক্টোবর) রাতে ঢাকা-৭ আসনের এমপি হাজী মোহাম্মদ সেলিমের ‘সংসদ সদস্য’ লেখা সরকারি গাড়ি থেকে নেমে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা  নৌবা‌হিনীর কর্মকর্তাকে মারধর করা হয়। রাতে এ ঘটনায় জিডি হলেও আজ (সোমবার) ভোরে  হাজী সে‌লি‌মের ছে‌লেসহ ৭  জ‌নের বিরু‌দ্ধে মামলা করা হয়। রাজধানীর কলাবাগান সিগন্যালের পাশে এ ঘটনা ঘটে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, এরফানের গাড়ি ওয়াসিফকে ধাক্কা মারার পর তিনি সড়কের পাশে মোটরসাইকেলটি থামিয়ে গাড়ির সামনে দাঁড়ান এবং নিজের পরিচয় দেন। তখন গাড়ি থেকে আসামিরা একসঙ্গে বলতে থাকেন, ‘তোর নৌবাহিনী/সেনাবাহিনী বের করতেছি, তোর লেফটেন্যান্ট/ক্যাপ্টেন বের করতেছি। তোকে এখনি মেরে ফেলব’ বলে কিল-ঘুষি মারেন এবং আমার স্ত্রীকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন।তারা আমাকে মারধর করে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে যায়। পরে আমার স্ত্রী, স্থানীয় জনতা এবং পাশে ডিউটিরত ধানমন্ডি থানার ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তা আমাকে উদ্ধার করে আনোয়ার খান মডেল হাসপাতালে নিয়ে যায়।’

মামলায় মোট পাঁচটি ফৌজদারি অপরাধের ধারার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। অপরাধগুলো হলো- দণ্ডবিধি ১৪৩ অনুযায়ী বেআইনি সমাবেশের সদস্য হয়ে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধমূলকভাবে বল প্রয়োগ করা, ৩৪১ অনুযায়ী কোনো ব্যক্তিকে অবৈধভাবে নিয়ন্ত্রণ করা, ৩৩২ ধারা অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তার কাজে বাধাদানের উদ্দেশ্যে আহত করা, ৩৫৩ ধারা অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তার ওপর বল প্রয়োগ করা এবং ৫০৬ ধারায় প্রাণনাশের হুমকি দেয়ার।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 nagorikkhobor.Com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com