1. nagorikkhobor@gmail.com : admi2017 :
  2. shobozcomilla2011@gmail.com : Nagorik Khobor Khobor : Nagorik Khobor Khobor
শনিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:০১ অপরাহ্ন

১২০০ কিডনি ট্রান্সপ্লান্টের সফল কা‌রিগর ডা. কামরুল ইসলাম

নাগরিক খবর অনলাইন ডেস্কঃ
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২২
  • ২১ বার পঠিত

অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম। বাংলাদেশের একজন সফল কিডনি চিকিৎসক। ইতোমধ্যে ১২০০ কিডনি প্রতিস্থাপনের মাইলফলক গড়েছেন প্রখ্যাত এই কিডনি বিশেষজ্ঞ। মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) রাতে সিকেডি হাসপাতালে একজন রোগীর দেহে কিডনি প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে এই রেকর্ড গড়েন তিনি।

জানা যায়, ২০০৭ সালে সফলভাবে কিডনি প্রতিস্থাপনের কাজ শুরু করেন অধ্যাপক কামরুল। এর আগে তিনি প্রায় এক হাজার কিডনি স্থাপন করে দেশে বিদেশে আলোচনায় আসেন এই কিডনি বিশেষজ্ঞ। এবার সে রেকর্ড ভেঙে ১২০০ কিডনি প্রতিস্থাপন করায় নেতৃত্ব দিলেন।

যেখানে প্রতিবেশি দেশে কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য ব্যয় করতে হয় ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা, সেখানে সিকেডি হাসপাতালে সার্জারি ও ১৪দিন আইসিইউতে থাকার মোট খরচ ২ লাখ ১০ হাজার টাকা। ট্রান্সপ্লান্টের পরেই দায়িত্ব শেষ হয়না ডা কামরুল ইসলামের। প্রতিমাসে কিডনি দাতা ও কিডনি গ্রহীতার চেকাপের জন্য নেন না কোন ভিজিট, নেন না নিয়মিত রক্ত পরীক্ষার ফিও।

সবশেষ তিনি, মঙ্গলবার ৪৫ বছর বয়সী কিডনি বিকল রোগী কাউসারের দেহে কিডনি প্রতিস্থাপন কার্যক্রম শুরু করেন অধ্যাপক কামরুলসহ ১০ জনের বিশেষজ্ঞ টিম। প্রতিস্থাপন শেষ হয় রাত ১০টার দিকে। কিডনি দাতা (ডোনার) ছিলেন রোগী কাউসারের স্ত্রী।

ট্রান্সপ্ল্যান্টের পর কিডনি গ্রহীতা এবং কিডনি দাতা কেমন আছেন— জানতে চাইলে অধ্যাপক কামরুল বলেন, আল্লাহর অশেষ রহমতে ১২০০ তম রোগীর ট্রান্সপ্ল্যান্ট কার্যক্রম সফলভাবেই সম্পন্ন হয়েছে। কিডনি গ্রহীতা এবং কিডনি দাতা উভয়েই ভালো আছেন।

তিনি বলেন, রোগীকে পোস্ট অপারেটিভ রুমে পাঠিয়ে চিকিৎসকদের অবজারভেশনে রাখা হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে আশা করি আগামী ১০-১২ দিনের মধ্যেই তারা হাসপাতাল থেকে রিলিজ নিতে পারবেন। এরপর প্রথম তিন মাস ঢাকায় থেকে প্রতি সপ্তাহে ফলোআপ করতে হবে। এরপর মাসে একবার করে ফলোআপ করলেই চলবে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজের কে-৪০ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন অধ্যাপক কামরুল ইসলাম। তিনি ১৯৮২ সালে মেডিকেল কলেজের সম্মিলিত ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হয়েছিলেন। এরপর যুক্তরাজ্যের রয়্যাল কলেজ অব সার্জনস অব এডিনবার্গ থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন তিনি। ১৯৯৩ সালে স্বাস্থ্য ক্যাডারে যোগ দেন এই চিকিৎসক। ২০১১ সালে চাকরি থেকে অবসর নেন এবং সিকেডি ‌হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেন। শুরু ক‌রেন গরী‌বের জন্য চি‌কিৎসা সেবার কার্যক্রম।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 nagorikkhobor.Com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com