1. nagorikkhobor@gmail.com : admi2017 :
  2. shobozcomilla2011@gmail.com : Nagorik Khobor Khobor : Nagorik Khobor Khobor
মঙ্গলবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
H H H H H H H H H H

পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি গড়ে দিয়েছিলেন “বঙ্গবন্ধু’

নাগ‌রিক খবর ডেস্ক:
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২২
  • ৮১ বার পঠিত

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি গড়ে দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন।

তিনি বলেন, বৈদেশিক নীতির ক্ষেত্রে তিনি বিশ্বাস রেখেছিলেন ‘সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারও প্রতি বিদ্বেষ নয়’-এই কালোত্তীর্ণ মূলমন্ত্রে। জাতির পিতা জীবদ্দশাতেই মূল্যবোধ এবং আদর্শভিত্তিক পররাষ্ট্রনীতির প্রচলন করেছিলেন। যা যুদ্ধবিধ্বস্ত স্বাধীন দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও প্রশংসা এনে দিয়েছিল।

সোমবার (১০ জানুয়ারি) বিকেলে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা লাভের খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আমরা বিশ্বের অধিকাংশ দেশের স্বীকৃতি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলাম। বঙ্গবন্ধুর পররাষ্ট্র নীতি জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোতেও প্রশংসিত হয়েছিল।

তিনি বলেন, ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি স্বাধীন বাংলার নতুন সূর্যালোকে ইতিহাসের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু ফিরে আসেন তার প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশে। পাকিস্তানের কারাগারে থেকে মুক্ত স্বাধীন বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুর ফিরে আসার মাধ্যমে জাতির বিজয় পূর্ণতা লাভ করে।

ড. মোমেন বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের স্বাধীনতার মতোই তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি যদি ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি দেশে ফিরে না আসতেন, যদি পাকিস্তানি সামরিক জান্তারা তাকে হত্যা করতো, তাহলে জাতি আজকের এই বাংলাদেশ পেত না। বঙ্গবন্ধুর সমালোচকদের কেউ কেউ এখনো বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানি শাসকদের গ্রেফতারের সুযোগ না দিয়ে আত্মপোপন করতে পারতেন। আত্মগোপনে থেকে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিতে পারতেন। যারা এ ধরনের কথা বলেন, তারা আসলে সেই সময়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দূরদর্শিতা সম্পর্কে জানেন না।

তিনি বলেন, আমরা সবাই জানি, বঙ্গবন্ধু রাজনীতি করেছেন সিংহের মতো, বীরের মতো। তিনি লুকোচুরি পছন্দ করতেন না। তিনি তার অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে লিখেছেন, ‘আমি পালিয়ে থাকার রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। কারণ আমি গোপন রাজনীতি পছন্দ করি না, আর বিশ্বাসও করি না।’ ব্রিটিশ ধাঁচের সংসদীয় গণতান্ত্রিক পদ্ধতি ছিল বঙ্গবন্ধুর পছন্দ। আত্মগোপন না করে গ্রেফতার হওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল বঙ্গবন্ধুর জীবনের সবচেয়ে সঠিক সিদ্ধান্তের একটি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু হিমালয়ের মতো উঁচু হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন বিশ্ব নেতৃত্বের মঞ্চে। বঙ্গবন্ধু হয়ে উঠেছিলেন বাংলাদেশ নামের প্রতিশব্দ। দুর্ভাগ্যক্রমে আমরা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে হারানোর মধ্য দিয়ে সেই গতিপথ থেকে বিচ্যুত হয়ে গিয়েছিলাম। ‘সোনার বাংলা’ আরও অনেক আগেই আমরা পেতে পারতাম, যদি বঙ্গবন্ধুকে আমরা রক্ষা করতে পারতাম।

ড. মোমেন বলেন, আজ বঙ্গবন্ধু নেই। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি, তার রক্ত যার ধমনীতে, যে রক্ত আপসহীন, যে রক্ত পরাভব মানে না, যে রক্ত হাসিমুখে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতে জানে। সেই রক্তের উত্তরাধিকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত সরকার অর্থনৈতিক মুক্তি এনে বাংলার দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে দৃঢ়-প্রতিজ্ঞ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম। অনুষ্ঠানে সম্মানিত বক্তা হিসেবে ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ এমপি, সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী, এফসিএ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স) রিয়ার অ্যাডমিরাল (অব.) খুরশিদ আলম।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 nagorikkhobor.Com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com