কুমিল্লা সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কে উদ্ধার হওয়া অঞ্জাত নারীর লাশের পরিচয় পাওয়া গেছে। বৃহ:পতিবার (৬ মার্চ) দুপুর একটায় লাশ উদ্ধার করে দেবীদ্বার থানা পুলিশ।
পুলিশ জানায় লাশ উদ্ধারের সময় নিহতার হাত-পা-মুখ বাঁধা অবস্থায় পান, এসময় তার শাড়ি দিয়ে গলা পেচানো ছিল। হাত, পা, মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ রক্তাক্ত ও জখম ছিল। অজ্ঞাত নারীর ক্ষত বিক্ষত লাশ উদ্ধারের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে রাত সাড়ে ৯টায় থানায় ছুটে আসেন নিহতের স্বজনরা নিহতার ৪ পুত্র মো. সবুজ(৩৫), মো. সাদ্দাম(৩২), মো. ইয়াছিন(২৮), মো. আবু বকর(২২) ও কণ্যা মাহমুদা(৩০) তাদের মা’ পচিয়ে শাহনাজ বেগমের লাশ সনাক্ত করেন।নিহত শাহনাজ বেগম(৫২) মুরাদনগর উপজেলার বাখরনগর নয়া দিঘীর পাড়ের মো. শাহ আলমের স্ত্রী। তারা স্বপরিবারে একই গ্রামের বাখরনগর সনাতন পাড়ায় শাহনাজ বেগমের পিতা মৃতঃ রুক্কু মিয়ার বাড়িতে স্থায়ীভাবে দির্ঘদিন যাবত বসবাস করে আসছিলেন। নিহতের স্বজনরা জানান, শাহনাজ বেগমের স্বামী শাহ আলম দির্ঘদিন যাবত নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে সয্যাসায়ী। ৪ পুত্র সিএনজি চালক। একমাত্র মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। বড় ছেলে মো. সবুজের সাথে বাবা- মা’ থাকতেন। মা’ শাহনাজ বেগম বাবুর্চির কাজ করতেন। কোথায় বাবুর্চির কাজ করতেন তা তারা জানেননা।
জ
ভিকটিরে বড় ছেলে সবুজ জানান, মা’ বুধবার (৫ মার্চ) বিকেল ৩/৪টার সময় চিকিৎসা নিতে কুমিল্লার উদ্দেশে যান, তার পর আর বাড়ি ফিরে আসেননি। আজ রাতে ফেইজবুকে লাশ দেখে থানায় এসে মায়ের লাশ সনাক্ত করেন। তার সাথে কারোর বিরোধ বা সন্দেহজনক কাউকে সন্দেহ করেন কি না এ বিষয়টি এড়িয়ে যান।
রহস্য উৎঘাটনে পুলিশের পাশাপাশি র্যাব ও কাজ করছে। র্যাব-১১ সিপিসি ২ এর এসআই মো. ইব্রাহীম মিয়া জানান, তাকে অজ্ঞাত শত্রুরা পরিকল্পিতভাবে গলায় শাড়ি প্যাচিয়ে শ্বাস রোধ করে হত্যা করে। নিহতের সন্তানরা সঠিক তথ্য দিচ্ছেননা।
দেবীদ্বার থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) এসএম আব্দুর রহমান জানান, উদ্ধার করা লাশের পরিচয় পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে তাকে অজ্ঞাত শত্রুরা পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে বাড়ি খেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে এনে কুমিল্লা- সিলেট হাইওয়ে সড়কের ইউছুফপুর ব্রীজের পাশে ফেলে গেছে। হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটনে কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।