1. nagorikkhobor@gmail.com : admi2017 :
  2. shobozcomilla2011@gmail.com : Nagorik Khobor Khobor : Nagorik Khobor Khobor
মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২, ০৬:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
H H H H H H H H H H

র‌্যা‌বের ভ্রাম‌্যমান আদাল‌তের অ‌ভিযান সিরাজুল ইসলাম মে‌ডি‌কেল‌কে ৩০ লাখ টাকা জ‌রিমানা

‌ডেস্ক নিউজ:
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২০
  • ১৬৯ বার পঠিত
ছ‌বি: ফোকাস বাংলা

মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট, সার্জিক্যাল সামগ্রী পাওয়া, একটি কিট দিয়ে একাধিক কোভিড টেস্ট করাসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে রাজধানীর ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালকে ৩০ লাখ টাকা জরিমানা করেছে র‌্যাবের ভ্রাম্যমান আদালত। এছাড়া হাসপাতালে যেসব অনিয়ম পাওয়া গেছে সেগুলো শুধরে নেওয়ার জন্য সাতদিন সময় দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে ঠিক না হলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে থেকে পরিচালিত হওয়া অভিযানে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও র‌্যাবের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অভিযান শেষে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম বলেন, টেস্টিং ল্যাব থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট, চারটা অপারেশন থিয়েটার থেকে বিপুর পরিমাণ মেয়াদোত্তীর্ণ সার্জিক্যাল সামগ্রী পাওয়া গেছে। মাইক্রোবায়োলজি ল্যাবে স্যাম্পলগুলো যে প্রক্রিয়ায় টেস্ট করা হচ্ছে তা খুবই দুঃখজনক বলেও জানান তিনি।

কোভিড-১৯ পরীক্ষার ব্যবহৃত কিট দিয়ে তিনজনের পরীক্ষা করা হচ্ছিল বলে জানান সারোয়ার আলম। তিনি বলেন, একটি টেস্টিং কিট দিয়ে একজনের স্যাম্পল টেস্ট করার কথা কিন্তু তারা তিনজন করে টেস্ট করছে। কোভিডের যে প্রটোকল রয়েছে তার কোনওটাই মানা হচ্ছে না।

তিনি বলেন, নানাবিধ অনিয়মের কারণে ৩০ লাখ টাকা জরিমানা ও ভুলত্রুটিগুলো সাত দিনের মধ্যে শোধরানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছে। যদি নির্ধারিত সময়ে তারা ঠিক না করে তাহলৈ আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া তারা কোভিডের প্রটোকল মেনটেইন করতে না পারে তাহলে স্বাস্থ্য অধিদফতর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

অভিযানে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব(হাসপাতাল) উম্মে সালমা তানজিয়া উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, আমরা অনেক অনিয়ম পেয়েছি। কোভিডের যে প্রটোকল মানা উচিত, তার কোনোটাই তারা মানেনি। তাদের মাইক্রোবায়োলজি ল্যাব ও করোনা ইউনিট একই জায়গায়। যে কোয়ালিটি সম্পন্ন সেবা দেওয়ার কথা তারা সেটা দিচ্ছেন না।

দীর্ঘদিন হাসপাতালে ইন্সপেকশন না হওয়ার কারণে মেয়াদোত্তীর্ণ সামগ্রী রয়ে গেছে বলে মনে করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম। তিনি বলেন, এখানে নিয়মিত ইন্সপেকশন হয়নি। একবছর আগে চেক করা হলেও চার বছরে আগে মেয়াদ শেষ হওয়া সার্জিক্যাল আইটেমগুলো থাকত না।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

H

H

H

H

H

H

H

H

H

১০

H

© All rights reserved © 2020 nagorikkhobor.Com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com