1. nagorikkhobor@gmail.com : admi2017 :
  2. shobozcomilla2011@gmail.com : Nagorik Khobor Khobor : Nagorik Khobor Khobor
বৃহস্পতিবার, ০৬ অক্টোবর ২০২২, ০৪:১৩ অপরাহ্ন

ট্যাল্ক বেবি পাউডার: ক্যান্সারের ঝুঁকির অভিযোগের মুখে জনসন এন্ড জনসন কোম্পানি এটির বিক্রি বন্ধ করেছে

নাগরিক খবর অনলাইন ডেস্কঃ
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১২ আগস্ট, ২০২২
  • ২৩ বার পঠিত

মার্কিন বহুজাতিক কোম্পানি জনসন এন্ড জনসন বিশ্বজুড়ে তাদের ট্যাল্ক বেবি পাউডার বিক্রি সামনের বছর থেকে বন্ধ করে দেবে বলে ঘোষণা করেছে।

জনসন এন্ড জনসন দু’বছরেরও বেশি আগে যুক্তরাষ্ট্রে এই বেবি পাউডার বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছিল।

এই পাউডার বিক্রি নিয়ে জনসন এন্ড জনসনের বিরুদ্ধে নারীরা শত শত মামলা করেছেন। তারা অভিযোগ করেন, জনসন এন্ড জনসনের তৈরি ট্যাল্ক বেবি পাউডারে অ্যাসবেস্টস আছে এবং এটি ব্যবহার করে তারা জরায়ুর ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন।

তবে জনসন এন্ড জনসন আবারও বলেছে, কয়েক দশক ধরে অনেক স্বাধীন গবেষণায় তাদের এই বেবি পাউডার নিরাপদ বলে প্রমাণিত হয়েছে।

এক বিবৃতিতে কোম্পানিটি বলেছে, “বিশ্বজুড়ে পোর্টফোলিও পর্যালোচনা করে আমরা এই বাণিজ্যিক সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আমরা এখন আমাদের বেবি পাউডার তৈরি করবো ভুট্টার মাড় ব্যবহার করে।”

কোম্পানিটি জানিয়েছে, ভুট্টার মাড় ব্যবহার করে তৈরি বেবি পাউডার এরই মধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিক্রি করা হচ্ছে।

তবে একই সঙ্গে জনসন এন্ড জনসন একথাও জোর দিয়ে বলছে যে, তাদের বেবি পাউডার ব্যবহারের জন্য নিরাপদ: “আমাদের কসমেটিক ট্যাল্ক নিরাপদ কিনা- সে বিষয়ে আমাদের অবস্থান আগের মতোই। সারা বিশ্বের মেডিকেল বিশেষজ্ঞদের দশকব্যাপী বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে, ট্যাল্ক দিয়ে তৈরি আমাদের বেবি পাউডার নিরাপদ। এটিতে কোন অ্যাসবেস্টস নেই। আর এটি ব্যবহার করলে ক্যান্সার হয়না।”

জনসন এন্ড জনসন ২০২০ সালে জানিয়েছিল, তারা যুক্তরাষ্ট্র এবং ক্যানাডায় তাদের ট্যাল্ক বেবি পাউডার বিক্রি বন্ধ করে দেবে, কারণ বেশ কিছু মামলার পর এটি নিরাপদ কীনা, তা নিয়ে “বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণার” কারণে সেখানে এর চাহিদা কমে গেছে।

তবে তখন কোম্পানিটি একথাও জানিয়েছিল, যুক্তরাজ্যসহ বাকী বিশ্বে তারা এটির বিক্রি অব্যাহত রাখবে।

জনসন এন্ড জনসনের বিরুদ্ধে বহু ভোক্তা মামলা করেছেন এই বলে যে, কোম্পানির ট্যাল্ক পাউডারে অ্যাসবেস্টস আছে এবং এটি ব্যবহার করে তারা ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন।

ট্যাল্ক পাওয়া যায় মাটির নীচে খনিতে এমন একটি স্তরে, যা অ্যাসবেস্টসের খুব কাছাকাছি। অ্যাসবেস্টস থেকে মানুষের শরীরে ক্যান্সার হতে পারে।

রয়টার্স বার্তা সংস্থা জনসন এন্ড জনসনের কোম্পানি রেকর্ড, এটির বিচারের সাক্ষ্য এবং অন্যান্য প্রমাণ দেখে বলছে, অন্তত ১৯৭১ সাল হতে ২০০০ সালের শুরু পর্যন্ত জনসন এন্ড জনসনের ট্যাল্ক এবং বাজারজাত করা পাউডারে কখনো কখনো সামান্য পরিমাণে অ্যাসবেস্টসের অবশেষ পাওয়া গেছে।
তবে আদালতে শুনানির সময়, গণমাধ্যমের রিপোর্টে এবং যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে যখনই অ্যাসবেস্টস দূষণের প্রমাণ দেখানো হয়েছে, কোম্পানি বার বার এটি অস্বীকার করেছে।

গত বছরের অক্টোবরে জনসন এন্ড জনসন একটি সাবসিডিয়ারি কোম্পানি তৈরি করে এলটিএল নামে, এবং ট্যাল্ক নিয়ে যত মামলা হয়েছে সেটির দায় এই কোম্পানিকে দেয়। পরে তারা এই কোম্পানিটিকে দেউলিয়া ঘোষণা করে। ফলে ট্যাল্ক নিয়ে যত মামলা হয়েছিল, তার সবগুলোর আইনি প্রক্রিয়া এখন থমকে আছে। বি‌বি‌সি

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 nagorikkhobor.Com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com